মিস ওয়ার্ল্ড ইস্যুতে মুখ খুললেন সাবেক 'মিস আয়ারল্যান্ড' প্রিয়তি
‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ-২০১৮’ এর মুকুট উঠেছে জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী'র মাথায়। রোববার (৩০ সেপ্টেম্বর) বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটির রাজদর্শন হলে আয়োজিত জমকালো গ্র্যান্ড ফিনালেতে বিচারকরা চূড়ান্ত বিজয়ীকে নির্বাচন করেন। এছাড়াও দ্বিতীয় হয়েছেন নিশাত মাওয়া সালওয়া ও তৃতীয় হয়েছেন নাজিবা বুশরা। তবে মিস ওয়ার্ল্ড-২০১৮ নিয়ে বিতর্ক যেন পিছুই ছাড়ছে না।
প্রিয়তি তার স্ট্যাটাসে বলেন, একটা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা যখন কলাপস করে, তখন একটি মেয়ে প্রথমবারের মতো এতো এতো দর্শকের সামনে, এতো এতো লাইটস, ক্যামেরার সামনে একটা উত্তর ভুল দেয়া বা ঠিকমতো না দেয়া বা না জানা কি অনেক বড় পাপের বা দোষের? কোন রকমের পাবলিক স্পিকিং এক্সপেরিয়েন্স ছাড়া হঠাৎ করে স্টেজে পাবলিকের সামনে কথা বলা কি এতোই সোজা? আপনারা কয়জন গিয়ে কথা বলতে পারবেন, কখনো ভেবে দেখেছেন? বিচারকদের দু’একজনও কিছু ভুল বলেছেন, তা না হয় বাদই দিলাম। কারণ ভুল আমাদের সবারই হয়। টিভিতে বা কোনো শো’তে কেউ শতভাগ নিখুঁত বা পারফেক্ট হতে পারে না, এডিটিং ছাড়া।
প্রিয়তি আরো বলেন, আমি আগেও কয়েক জায়গায় বলেছি, আমাকে হঠাৎ করে কেউ প্রশ্ন করলে জানা উত্তরও আমি ভুলে যাই। এই সমস্যা ছোটবেলা থেকেই। যার কারণে স্কুলে শিক্ষকদের কাছে প্রচুর মার খেতাম। তাই বলে আমার এতদিনে যা যা শিখেছি, অর্জন করেছি, সব কি জিরো?
ফেসবুকে দেয়া সেই স্ট্যাটাসে প্রিয়তি আরো বলেছেন, বিচারক তার প্রশ্ন তিনি তৈরি করে এনেছেন বা ভেবেছেন কী প্রশ্ন করবেন। কিন্তু একজন প্রতিযোগীর মাথার রগের ভেতরে রক্ত দৌড়াতে থাকে। প্রশ্ন কী হতে পারে বা কোথা থেকে হতে পারে, তখন ব্রেইন এতো ডিরেকশন পেয়ে নিজেই শুন্য হয়ে বসে থাকে। ব্যাপারটি কখনো ভেবে দেখেছেন? আপনাদের সময় দিতে হবে তৈরি হওয়ার, অভ্যস্ত হওয়ার।
প্রসঙ্গত, এবারের ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ বিজয়ী হয়েছেন জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী। আগামী ৭ ডিসেম্বর তিনি চীনে যাবেন। সেখানেই অনুষ্ঠিত হবে ‘মিস ওয়ার্ল্ড’ প্রতিযোগিতা।

No comments