মুশফিকের দূরন্ত সেঞ্চুরি বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৬১ ,তামিমের এক হাতে অবাক করা ব্যাটিং
এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে বাংলাদেশের শুরুটা খুব একটা ভাল হল না। এক মালিঙ্গাকেই সামলাতে পারছেন না বাংলাদেশর ব্যাটসম্যানরা। ইনিংসের প্রথম ওভারেই লিটন দাস ও সাকিব আল হাসানকে শিকার করেন এই লঙ্কান পেসার। আর দ্বিতীয় স্পেলে মোহাম্মাদ মিঠুন এবং মোসাদ্দেক হোসেনকে। তবে দমে যাননি মুশফিকুর রহীম। নিজের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নিজে তুলে নিয়েছেন ৬ষ্ঠ ওয়ানডে সেঞ্চুরি। সেই সাথে দলকে এনে দিয়েছেন সম্মানজনক স্কোর।
ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে সুরাঙ্গা লাকমলের করা শেষ বলে বাঁ-হাতের কব্জিতে আঘাত পান তামিম। এরপর প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ২ রান নিয়ে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছেড়েছেন দেশসেরা ওপেনার। এরপর বাংলাদেশ তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারে কি না, তা নিয়ে সংশয় জেগেছিল। তবে চতুর্থ উইকেটে মোহাম্মদ মিঠুনকে নিয়ে দারুন প্রতিরোধ গড়েন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহীম। ১৭.৩ বলে ৭৮ রানের জুটি গড়ে তালেন তারা। প্রথমে মিঠুন দারুণ এক ফিফটি তুলে নেন। এরপর মুশফিক। তুলে নিয়েছেন ৩০তম ফিফটি।
এরপর ১৩১ রানের এই জুটি ভেঙেছে মিঠুনের বিদায়ে। নতুন নেমে মাহমুদউল্লাহও ফিরে গেছেন ১ রান করে। তবে ক্যারিয়ারের ৩০ তম ফিফটিকে সেঞ্চুরিতে রুপান্তর করেছেন মুশফিক। ১২৪ বলে এশিয়া কাপে নিজের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন এই উইকেটরক্ষ ব্যাটসম্যান। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে এটি তার ৬ষ্ঠ সেঞ্চুরি। ২২৯ রানে মোস্তাফিজ আউট হলে মনে বাংলাদেশ ২২৯ রানে শেষ।
তবে সবাইকে চমকে দিয়ে শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আবারো ব্যাটিংয়ে নামেন তামিম। ব্যাট করলেন এক হাতে। বাঁহাতের কবজিতে চিড়। তাই ব্যাট ধরলেন শুধু ডানহাতে। এই দৃশ্য দেখে সবাই অবাক হয়ে যান। আর তামিমকে দেখে যেন মুশফিক আরো উৎসাহ পান। জ্বলে উঠেন তিনি। ছক্কা চারে নিজেই করেন ১৪৪ রান। দলকে নিয়ে যান লড়াই করার মত প্লাটর্ফমে।পেরেরার করা শেষ
ওভারে প্রথম দুই বল ওভার বাউন্ডারির মাধ্যমে বাংলাদেশের সংগ্রহ হয় ২৬১ রান। তৃতীয় বলটি আবার বাউন্ডারি মারতে গিয়ে ধনঞ্জয়ের
হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন মুশফিকুর রহিম।

very nice
ReplyDelete